Browse By

PROGRESS

প্রগ্রেস
(একটি সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা)
প্রধান কার্যালয়
নয়াপাড়া, জামালপুর।

১.০ সংস্থার ইতিকথা ঃ
প্রগ্রেস একটি বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা। ১৯৯২ সালের ৫ জুলাই জামালপুর জেলা শহরের দেওয়ানপাড়ায় সমমনা কয়েকজন বুদ্ধি প্রতিভাসম্পন্ন তরুণ সমাজকর্মী, সমাজচিন্তাবিদ, শিক্ষা অনুরাগীদের সমন্বয়ে দেশ ও সমাজের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৯১ সালে সর্বপ্রথম প্রগ্রেস কোচিং সেন্টার দেওয়ানপাড়ায় প্রতিষ্ঠা করা হয়। তৎপরিবর্তে চিন্তার বিকাশ ঘটিয়ে কালক্রমে এই বর্তমান প্রগ্রেস (একটি সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা)।

২.০ সংস্থার আইনগত ভিত্তি ঃ

সমাজসেবা অধিদপ্তর ঃ জা -০০১৭০, তারিখ ০৬-০১-১৯৯৩
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ঃ জা-২২/সদর-০৮, তারিখ ঃ ১৭-০৭-১৯৯৪
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি ঃ এমআরএ-০১৯৭৩-০২৫৪৩-০০১৬৯. তারিখ- ১৬.০৩.২০০৮
৩.০ সংস্থার যোগাযোগের ঠিকানা ঃ
মোঃ মোখলেছুর রহমান
নির্বাহী পরিচালক
মোবাইল ঃ ০১৭১৩৫৬১২৪২
ঠিকানা ঃ নয়াপাড়া (আছিয়া ভবন), জামালপুর।
ই-মেইল ঃ ঢ়ৎড়মৎবংংসভর@ুধযড়ড়.পড়স

৪.০ সংস্থার কর্ম এলাকা ঃ
জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলাতে ২০টি শাখার মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।
৫.০ সংস্থার ভিশন, মিশন ও উদ্দেশ্য ঃ
ভিশন ঃ গ্রাম ও শহরের দরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার ও শান্তি প্র্িতষ্ঠা করা।
মিশন ঃ মানব সম্পদ উন্নয়নে বস্তুনিষ্ঠ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা এবং গ্রাম ও শহরের অনগ্রসর নারী, পুরুষ, কিশোর ও শিশুদের সংগঠিত করে সামাজিক অংশীদারিত্বমূলক স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

প্রগ্রেসের উদ্দেশ্য ঃ
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমাজের পশ্চাৎপদ অবহেলিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সমস্যা ও সমস্যার কারণ সম্পর্কে সচেতন করা এবং সংগঠিত করা।
সংগঠিত দরিদ্রদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ করা।
প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও মূল্যায়ন, পরামর্শ কর্মসূচী বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে অভীষ্ট জনগোষ্ঠীকে সমন্বিত করা।
সেমিনার, কর্মশালা ও প্রকাশনার মাধ্যমে গণ সচেতনতা গড়ে তোলা।
পরিবেশ সম্মত কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ নির্মল করে গড়ে তোলা।
প্রাথমিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে জনণকে সচেতন করা, চিকিৎসা সুবিধা প্রদান ও পুষ্টিহীনতা দূর করা।
পল্লী স্বাস্থ্য উন্নয়নে স্যানিটেশন সহায়তা প্রদান, নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিত করতে নলকুপ স্থাপন করা।
সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিকল্পে নারী নির্যাতন, যৌতুক, বহুবিবাহ ও বাল্য বিবাহসহ সকল প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে নারীদের উদ্বুদ্ধ করা।
নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা
দারিদ্র বিমোচনে উপকারভোগীদের মধ্যে আয়বৃদ্ধিমূলক ও স্ব-কর্মসংস্থানে ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করা। সমাজে বিদ্যালয় বিমুখ শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করা ও অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
৬.০ তহবিলের উৎস বা দাতা সংস্থা ঃ
১. সংস্থার সংগঠিত সদস্যদের সঞ্চয়
২. পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)
৩. ব্র্যাক
৪. দেশীয় সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা

৭.০ দারিদ্র্য দূরীকরণ কৌশল ঃ
দারিদ্র্য দূরীকরণের কৌশল হিসেবে প্রগ্রেস নিুলিখিত সেবা ও পরিসেবা প্রদান করে সংস্থার সুবিধাভোগীদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সাধন করার মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
ক) দারিদ্র্য দূরীকরণের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচী। খ) সামাজিক উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মসূচী।

screenshot_53

screenshot_54

screenshot_55

screenshot_56